1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০২:২৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

সর্বদলীয় বৈঠকে লাদাখ নিয়ে মোদি

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২০
  • ৬০ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
লাদাখ সীমান্তে চীনের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা বিষয়ে সর্বদলীয় এক বৈঠকে বসতে চলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গালওয়ান উপত্যকায় ঠিক কী ঘটেছিল, বর্তমানে কী পরিস্থিতি সীমান্তের, কী করতে চাইছে সরকার— এই সব বিষয়ই দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলগুলির শীর্ষ নেতৃত্বকে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জানাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যে সংঘাত শুরু হয়েছে সীমান্তে, তা নিয়ে ঠিক কী অবস্থান নিতে চলেছে ভারত, সেটা অনেকটাই স্পষ্ট হতে পারে এই বৈঠকের পরে।
শুক্রবার ভারতের স্থানীয় সময় বিকেলে এই বৈঠক শুরু হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে এটি। মোদি ছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বৈঠকে থাকবেন। বিজেপির পক্ষ থেকে থাকবেন সভাপতি জগৎপ্রকাশ নড্ডা। কংগ্রেসের পক্ষে থাকবেন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি।

প্রতিনিধি না পাঠিয়ে সব দলের শীর্ষ নেতারা যেন যোগ দেন বৈঠকে, এমনই অনুরোধ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে। সে অনুরোধে সাড়া দিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন দলের চেয়ারপার্সন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। এ ছাড়া বিহারের মুখ্যমন্ত্রী অর্থাৎ জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার, উড়িশ্যার মুখ্যমন্ত্রী বিজেডি সভাপতি নবীন পট্টনায়ক, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে, এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার, সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব, বহুজন সমাজ পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতী, ডিএমকে প্রধান এম কে স্ট্যালিনেরও এই বৈঠকে যোগ দেয়ার কথা। আমন্ত্রণ পেয়েছেন সিপিআই-এর ডি রাজা, সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরিও।

বিতর্ক তৈরি হয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অর্থাৎ আমআদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরীবাল আমন্ত্রণ না পাওয়ায়। আমন্ত্রণ পায়নি লালুপ্রসাদের আরজেডি, আসাদউদ্দিন ওয়াইসির এআইএমআইএম-ও।

দেশের সীমান্তে যখন বিপজ্জনক সঙ্ঘাতের পরিস্থিতি, তখন প্রধানমন্ত্রীর সর্বদল বৈঠকে এই দলগুলিকে কেন ডাকা হল না? এখানেও কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চাওয়া হল? এমন প্রশ্ন তোলা শুরু হয়েছে ওই দলগুলির পক্ষ থেকে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে মাপকাঠির ভিত্তিতে সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিভিন্ন দলকে, আরজেডি, আপ বা এআইএমআইএম সেই মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হতে পারছে না।

সরকার জানিয়েছে, যে সব দল জাতীয় দল হিসেবে স্বীকৃত অথবা লোকসভায় যে সব দলের অন্তত ৫ জন সাংসদ রয়েছেন অথবা যে সব দল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রয়েছে, তাদেরই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সর্বদল বৈঠকে।

তবে উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্ষেত্রে অবশ্য সে নিয়মে ব্যতিক্রম রয়েছে। যেহেতু উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি ছোট ছোট এবং সংসদে ওই রাজ্যগুলির অধিকাংশেরই আসনসংখ্যা কম, সেহেতু তাদের জন্য জাতীয় দলের তকমা বা লোকসভায় ৫ আসনের মাপকাঠি রাখা হয়নি। উত্তর-পূর্বের সব গুরুত্বপূর্ণ দলকেই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে ২০টি দল বৈঠকে যোগ দিতে পারে বলে জানাগেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈঠকে লাদাখের পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী নিজেই ব্যাখ্যা করতে পারেন দলগুলোর সামনে। সরকার এই পরিস্থিতিতে কী করতে চাইছে, তাও জানাতে পারেন তিনি। তার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতও জানতে চাইতে পারেন।

গোটা ভারতের নজর আজ এই বৈঠকের দিকে। সীমান্তে গত কয়েক দিন ধরে সামরিক প্রস্তুতি দ্রুত বাড়িয়েছে ভারত। কিন্তু কী পদক্ষেপ করা হতে পারে, তা স্পষ্ট নয়। এ দিনের বৈঠকের পরে সরকারের সিদ্ধান্ত অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে বলে মত রাজনৈতিক শিবিরের।

সূত্র: আনন্দবাজার

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: