1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

ট্রমায় ভুগতে পারে পশ্চিমবঙ্গের এক কোটি মানুষ

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০
  • ৬০ Time View

নিজস্ব প্রতিবেতক:

সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার চারশ ২৬ জন এবং মারা গেছে চার লাখ ৭৯ হাজার আটশ ১৬ জন। তার মধ্যে ভারতে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে চার লাখ ৫৬ হাজার একশ ১৫ জন এবং মারা গেছে ১৪ হাজার চারশ ৮৩ জন।

করোনা সংক্রমণ থামার পরেও কেবল ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এক কোটি দুই লাখ মানুষের মধ্যে ‘পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার’ (পিটিএসডি)-এর আশঙ্কা রয়েছে। করোনা সংক্রমণ ও তার সঙ্গে লকডাউনের ধাক্কায় তাদের মানসিক স্থিতি খারাপের দিকে গেছে বলে একটি সমীক্ষায় জানা গেছে।

‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টস’ (আইএসিপি)-এর ‘ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টাস্ক ফোর্স’-এর সদস্য তথা মানসিক চিকিৎসার উৎকর্ষকেন্দ্র ‘ইনস্টিটিউট অব সাইকায়াট্রি’-র ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট প্রশান্তকুমার রায়ের উদ্যোগে হওয়া একটি সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

লকডাউন পর্বে এই সমীক্ষা চালাতে প্রশান্তর সঙ্গে ছিলেন সঞ্জীব কুণ্ডু ও কাঞ্চন সেনগুপ্ত নামে আরো দু’জন।

জনমনে করোনা সংক্রমণ ও লকডাউনের প্রভাব জানতে সমাজের বিভিন্ন আর্থিক স্তর ও নানা পেশার সঙ্গে যুক্ত প্রায় এক হাজার জনের ওপর সমীক্ষাটি করা হয়।

কলকাতা, শহরতলি থেকে শুরু করে গ্রামীণ এলাকার ১৮-৮০ বছর বয়সীদের সমীক্ষার আওতায় আনা হয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি, চুক্তিভিত্তিক কর্মী, বেসরকারি কর্মী, বেকার, অবসরপ্রাপ্তদের থেকে যেমন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, তেমনই ছোট-মাঝারি ব্যবসায়ী, দিনমজুর, কৃষক, আপৎকালীন পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, কৃষক, স্বাস্থ্যকর্মী, গৃহবধূও রয়েছেন।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ৪৯ দশমিক তিন শতাংশ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কভিড-১৯ ও লকডাউন কোনো না কোনোভাবে প্রভাব ফেলেছে।

তার মধ্যে ১০ দশমিক তিন শতাংশের ওপর এই প্রভাব গুরুতর। পশ্চিমবঙ্গের মোট জনসংখ্যা ২০২০ সালের মে মাসের তথ্য অনুযায়ী ৯ কোটি ৯৬ লাখের মধ্যে আনুমানিক চার কোটি ৯১ লাখ নাগরিকের মানসিক স্থিতি টলিয়ে দিয়েছে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি।

প্রশান্ত বলেছেন, করোনাভাইরাস ও লকডাউনের কারণে মানসিক স্থিতি যাদের বিপর্যস্ত হয়েছে, তাদের একটা বড় অংশ মানসিক, সামাজিক সহায়তা পেলে তা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। কিন্তু জনসংখ্যার প্রায় ১০ দশমিক তিন শতাংশ, অর্থাৎ এক কোটি দুই লাখ ৫৯ হাজার মানুষের মধ্যে পরবর্তী কালেও পিটিএসডি, অবসাদ, উদ্বেগ-সহ গুরুতর মানসিক অসুখ হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

পারিবারিক আয়ের সঙ্গে যে মানসিক অবসাদ, উদ্বেগ জড়িত, তা একাধিক সমীক্ষায় প্রমাণিত। সংশ্লিষ্ট সমীক্ষাতেও দেখা গেছে, যাদের পারিবারিক আয় মাসিক ১০ হাজার টাকার নীচে, তুলনামূলকভাবে তারা অনেক বেশি বিধ্বস্ত। আবার ৪৫-৫৫ বছর বয়সীদের মধ্যেও বাড়তি মানসিক চাপ ধরা পড়েছে এই সমীক্ষায়। প্রশান্ত বলেন, এই বয়সীদের দায়িত্ববোধ বেশি থাকার কারণেই মানসিক উদ্বেগও বেশি।

সূত্র : আনন্দবাজার

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: