1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর দায়িত্ব এড়াবে কিভাবে?

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
  • ৫৯ Time View

দৈনিক বাংলার রবি;

করোনা ভাইরাসের টেস্ট করার জন্য নিয়োগ দেয়া বেসরকারিখাতের পাঁচটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনার টেস্ট নিয়ে দেশব্যাপী হাহাকারের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরটি-পিসিআর ল্যাবরেটরি পরীক্ষার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিলো।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এরা কেউই করোনা টেস্ট শুরু করতে পারেনি বিধায় তাদের অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, কেয়ার মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, সাহাবুদ্দীন মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, স্টেমজ হেলথ কেয়ার, থাইরোকেয়ার ডায়াগনস্টিক এবং চট্টগ্রামের এপিক হেলথ কেয়ার।
সরকারি প্রতিষ্ঠান যখন করোনার টেস্ট তাদের হাতে রেখেছে, তখন আমরা বলেছি- সরকার কেনো নিজেদের হাতে টেস্ট কুক্ষিগত রেখেছে। যখন বেসরকারি প্রতিষ্ঠঅনকে দায়িত্ব দিয়েছে, তখন তারা টেস্টিই শুরু করেনি। আর দুটি প্রতিষ্ঠান তো জালিয়াতি করে কেলেংকারির রেকর্ড স্থাপন করেছে।
বেসরকারিখাতে যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে করোনা টেস্টের অনুমোদন দেয়া হয়েছিলো- স্বাস্থ্যসেবা খাতে তাদের অবস্থান কোন পর্যায়ে সেটা আমার জানা নেই। করোনা টেস্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিশ্চয়ই তাদের সম্পর্কে খোঁজখবর করেছে, তথ্যউপাত্ত সংগ্রহ করেছে।

প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্যাপাসিটি সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়েই কি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের অনুমতি দিয়েছিলো। এই যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান অনুমতি নিয়েও করোনা টেস্ট শুরু করেনি, এই সময়ে নাগরিকরা টেস্টের সুবিধা বঞ্চিত হয়েছে- এর দায়িত্ব কে নেবে? স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর দায়িত্ব এড়াবে কিভাবে?

করোনা টেস্টের কিট নিয়েও নানা কেলেংকারির গুঞ্জন শোনা যায়। শুরুতেই বিশেষ একটি কোম্পানিকে চড়া দামে কিট সরবরাহের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো। শোনা যায়, সেটি বন্ধ করে খোলা বাজার থেকে অনেকটা কম দামে টেস্টিং কিট সংগ্রহ করা হচ্ছে এখন। ফলে আগের কোম্পানি এবং তাদের সঙ্গে থাকা প্রভাবশালীরা বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
করোনায় যখন মানুষ মরে, নাগরিকরা যখন টেস্ট করার ন্যূনতম সুবিধাটুকু পায় না, তখন স্বাস্থ্যখাতের অথর্ব কর্মকর্তারা রাষ্ট্রের বিদ্যমান সুবিধাটুকু পর্যন্ত নাগরিকদের দিতে চান না। নিজেদের স্বার্থে সেগুলোকে পর্যন্ত জনগণের নাগালের বাইরে রেখে দেন। কি আশ্চর্য মানসিকতা!
লেখক: প্রকাশক ও সম্পাদক, নতুন দেশ ডটকম।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: