1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

রাজধানীর ৪০ স্পটে ন্যায্য মূল্যে ৩ পণ্য, এবার ভিড় অনেক কম

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২০
  • ৬৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীর ৪০টি স্পটে মিলছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ন্যায্য মূল্যের তিন পণ্য। এগুলো হলো ভোজ্য তেল, চিনি ও মসুর ডাল। ঈদুল আজহা উপলক্ষে টিসিবি এসব পণ্য বিক্রি করছে। বাজারে নিত্যপণ্যের চড়া দামের কারণে টিসিবির ট্রাকে প্রতিদিনই এসব পণ্য কিনতে আসছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা। প্রতিদিনই ডিলারদের বরাদ্দ পণ্য বিক্রি শেষে খালি ট্রাক নিয়ে ফিরতে দেখা যায়। তবে আগের চেয়ে ক্রেতাদের ভিড় এখন অনেক কম।

দেশে সাধারণ ছুটির দিনগুলোতে নিত্যপণ্যের উত্তাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির পণ্য কিনেত ভিড় করতেন ভোক্তারা। করোনার ঝুঁকি নিয়েও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যেত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষকে। প্রতিটি ট্রাকের পেছনে তখন ১৫০ থেকে ২০০ জনের দীর্ঘ লাইন থাকত।

কিন্তু রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এখন দৃশ্য কিছুটা ভিন্ন। টিসিবির পণ্যের ট্রাকের সামনে এখন আর তেমন ভিড় দেখা যায় না। বিক্রেতাদেরও আগের সেই ব্যস্ততা নেই। ডিলাররা বলছেন, ট্রাকে পণ্য কম, বাজারে পণ্যের সরবরাহ বেশি। সেই সঙ্গে ট্রাকের সংখ্যাও কম। একদিকে সাধারণ মানুষ জানতেই পারছে না কোথায় পণ্য বিক্রি হচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে অহরহ পণ্য পাচ্ছে বলে করোনার ঝুঁকি নিয়ে টিসিবির পণ্য কিনতে আসছে না অনেকে। সব মিলিয়ে বিক্রির চাপ কম। তবে পণ্য বিক্রি হয়নি এমন ঘটনা নেই।

টিসিবির এক কেজি মাঝারি দানার মসুর ডালের দাম ধরা হয়েছে ৫০ টাকা, বাজারে এই মানের ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। চিনি ৫০ টাকা, বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৬৩ থেকে ৭০ টাকা কেজি। বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৮০ টাকা দরে, বাজারে এই তেল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকা লিটার।

টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে ২৬৪টি স্থানে টিসিবির পণ্য পাওয়া যাবে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে ট্রাক থাকছে ৪০টি। করোনায় সাধারণ ছুটিগুলোতে সারা দেশে ট্রাকের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫০০টি। এর মধ্যে রাজধানীর ৯০টি স্পটে পণ্য পাওয়া যেত। তখন এই তিন পণ্যের সঙ্গে পেঁয়াজও বিক্রি হতো। এ ছাড়া রোজার সময় খেজুর ও ছোলা যোগ হয়ে ছয়টি হয়। গতকাল রাজধানীর মতিঝিল, প্রেস ক্লাব, মালিবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, টিসিবির পণ্য বিক্রি হচ্ছে। তবে কোথাও তিন থেকে চারজনের লাইন, কোথাও লাইনই নেই। আসামাত্রই পণ্য কিনতে পারছেন ক্রেতারা। বিকেল সাড়ে ৪টায় মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, ট্রাকের সামনে পাঁচজন ক্রেতা। এর মধ্যে তিনজনই নারী। তবে তাঁরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন এলোমেলোভাবে। জানতে চাইলে আম্বিয়া নামের একজন ক্রেতা বলেন, ‘লোকজন কম। লাইন ধইরা কী অইবো।’

তবে ভিন্ন চিত্র সোয়ারীঘাট, নবাবপুরসহ পুরান ঢাকায়। এসব স্পটের ট্রাকে ক্রেতার চাপ একটু বেশি। সোয়ারীঘাটের ডিলার মামুন বলেন, ‘আমি নবাবপুর, সোয়ারীঘাট এলাকায় পণ্য বিক্রি করি। এখানে ১৫ জনের মতো ক্রেতা সব সময় থাকে। পণ্যের চাহিদাও রয়েছে ভালো। এর মধ্যে ডাল ও তেলের চাহিদা বেশি।’ তিনি বলেন, ‘লকডাউনের সময়ে ১০০ থেকে ১৫০ জনের লাইন থাকত সব সময়। কিন্তু এখন সাত-আট ঘণ্টা লাগে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: