1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

প্রতিদিনের যে তিন ভুলে নষ্ট হতে পারে মূল্যবান কিডনি

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০
  • ৬৭ Time View

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক

কিডনি আমাদের দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। আমাদের দেহে বিপাকক্রিয়ায় জমা বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ শরীরে জমে। যা কিডনির মাধ্যমেই শরীর থেকে বের হয়ে যায়। যদি কিডনি অকার্যকর হয়ে যায়, তবে শরীরের ক্ষতিকর বর্জ্য রক্তে জমা হয়। তখন বেঁচে থাকা দুষ্কর হয়ে পড়ে।
কিডনি চিকিৎসা খুবই ব্যয়বহুল। ফলে অনেকের পক্ষেই এর চিকিৎসা করা সম্ভব হয় না। আমাদের প্রতিদিনের তিন ভুলেই কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের ছোট ছোট কিছু অনিয়মের জন্য কিডনির সমস্যা দেখা যায়। যা আমৃত্যু বয়ে নিয়ে বেড়াতে হয়। তাই কিডনি সুস্থ রাখার দিকে নজর দিতে হবে নিজেকেই। চলুন জেনে নেয়া যাক এমন তিনটি ভুল, যা থেকে হতে পারে কিডনির রোগ-

ঠিকমতো পানি না খাওয়া

কিডনির সুরক্ষার জন্য সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিয়ম করে পানি খাওয়া। আমরা অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করি না। বাড়ি থেকে বাইরে বের হলে অনেকের পানি পানের কথা মনে থাকে না। তবে এতে কিডনির ওপর অনেক বেশি পরিমাণে চাপ পড়ে এবং কিডনি তার সাধারণ কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ৬ থেকে ৮ গ্লাস জল পান করা অত্যন্ত জরুরি।

অতিরিক্ত লবণ খাওয়া

অনেকের বাড়তি লবণ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। খেতে বসে প্লেটে আলাদা করে লবণ নিয়ে খান। এই অনিয়মটির কারণে কিডনির অনেক বেশি ক্ষতি হয়। কারণ কিডনি অতিরিক্ত সোডিয়াম আমাদের দেহ থেকে নিষ্কাশন করতে পারে না। ফলে বাড়তি লবণের সোডিয়ামটুকু কিডনিতে থেকে যায়। এতে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং নষ্ট হবার সম্ভাবনাও থাকে।

মদ পান

মদপান কিডনির জন্য সব চাইতে বেশি ক্ষতিকর। অ্যালকোহল কিডনি আমাদের দেহ থেকে সঠিক নিয়মে নিষ্কাশন করতে পারে না। ফলে এটি কিডনির মধ্যে থেকেই কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এমনকি কিডনি নষ্ট করে দেয়। অতিরিক্ত মদপানের কারণে লিভার সিরোসিসের মতো মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হন অনেকে। এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: