1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

হবিগঞ্জে ৩৫ হাজার গরু কোরবানির জন্য প্রস্তুত

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০
  • ২৬ Time View


হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

দিন যত যাচ্ছে ততই ঘনিয়ে আসছে পবিত্র ঈদুল আযহা। যাকে আমরা কোরবানির ঈদও বলে থাকি। আর এ কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে একেবারে শেষ পর্যায়ে গরু, ছাগল, মহিষ ভেড়ার পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামার মালিকারা।
এবারের ঈদে হবিগঞ্জ জেলায় কোরবানির পশুর জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার গরু, ১৯৬টি মহিষ, ৭ হাজার ছাগল ও ৩ হাজার ৭৬৬টি ভেড়া। যদিও করোনার কারণে এখনো ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন খামারিরা।

তবে জেলা প্রাণী সম্পদ অফিস বলছে, এই ঈদে প্রতিবেশী ভারত থেকে গরু আসছে না। তাই দেশীয় গরু ছাগল দিয়েই কোরবানি সম্পন্ন হবে, আর এতে করে লাভবান হবেন খামার মালিকরা। এছাড়া জেলায় যে পরিমাণ কুরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে তা স্থানীয়ভাবে লালন পালন করা পশু দিয়েই পুরণ হয়ে যাবে বলেও জানান তারা।

জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের তথ্যমতে, এবছর হবিগঞ্জ জেলায় প্রায় আড়াই হাজার খামারে কোরবানির পশু বিক্রির জন্য লালন পালন করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে হাওরের ও পাহারের সবুজ ঘাস খাওয়ানো হচ্ছে। যে কারণে ক্রেতাদের কাছে দেশীয় এসব গরুর চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। এবারের কোরবানির ঈদে জেলায় ৩৫ হাজার গরু, ১৯৬টি মহিষ, ৭ হাজার ছাগল ও ৩ হাজার ৭৬৬টি ভেড়া কোরবানীর পশু হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এর চেয়ে বেশি পশু বাজারে উঠবে বলে আশা করছেন তারা।

এদিকে হবিগঞ্জ জেলায় বেশ কয়েকটি হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু কেনা বেচা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া অনলাইনে পশু কেনা বেচার জন্য সবাইকে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে।

জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের চিকিৎসক নিয়াজ আহমেদ খান চৌধুরী জানান, গরু মোটাতাজা করতে খামারিদের শেষ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। সেই সঙ্গে প্রতিটি কোরবানির হাটে গরুর চিকিৎসার জন্য মেডিকেল টিম থাকবে বলেও জানান তিনি।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাস জানান, করোনার কথা মাথায় রেখে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই হাটগুলো বসানোর অনুমতি দিচ্ছেন জেলা প্রশাসন। এছাড়া প্রতিটি হাটে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল থাকবে।

ডিসি মো. কামরুল হাসান বলেন, কৃষি পণ্য ও পশুর অনলাইনভিত্তিক মার্কেট তৈরির ফলে কৃষক ও খামারিরা তাদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরো বেগবান হবে। করোনা পরিস্থিতিতে জনসমাগম এড়িয়ে পশু ও কৃষি পণ্য ক্রয়/বিক্রয়ের জন্য এটি একটি সময়োপযোগী এ্যাপ হিসেবে ওই এ্যাপটি স্থান করে নিবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, এই এ্যাপে গবাদিপশু বিক্রয়ের সুযোগ রয়েছে বিধায় কুরবানীর পশু বিক্রয় করার সুযোগ পাবেন খামারিরা এবং তাদের কাঙ্কিত মূল্য পাবেন। প্রযুক্তিনির্ভর এ সেবাকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করতে উপজেলা ও ইউপি পর্যায়ের ডিজিটাল সেন্টারগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: