1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

মুশফিকের কৃতজ্ঞতা, আর্জি

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০
  • ২৫ Time View


ক্রীড়া প্রতিবেদক

রৌদ্রোজ্জ্বল সকালে খোলা মাঠে, সবুজ ঘাসে দৌড়াতে চেয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। সাথে খানিকটা স্কিল ট্রেনিং। গত জুনে এমন আবেদন করেছিলেন দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিবির কাছে। কিন্তু করোনা ঝুঁকি থাকায় মুশফিককে ফিরিয়ে দিয়েছিল বিসিবি।

দ্বিতীয় দফায় মুশফিককে আর মানা করেনি বিসিবি। গত ১৮ জুলাই থেকে ঐচ্ছিক অনুশীলন শুরু করেছেন ক্রিকেটাররা। সেই তালিকায় মুশফিকসহ ছিলেন মিথুন, ইমরুল, শফিউল, মিরাজরা। জাতীয় দলের বাইরের সোহান, খালেদ, নাসুম, মেহেদী ও রানারা যোগ দেন অনুশীলনে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রত্যেকেই পৃথক অনুশীলন করেছেন।

সীমিত পরিসরে অনুশীলনের সুযোগ করে দেওয়ায় মুশফিক কৃতজ্ঞ বিসিবির কাছে। রোববার মিরপুরে প্রথম পর্বের শেষদিনে সূচিতে মুশফিকের অনুশীলন ছিল না। তবে নিজ থেকেই সাত সকালে চলে আসেন মুশফিক। ফিটনেস ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি আজ স্কিলের কাজও করেছেন উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান।

অনুশীলন শেষে ভিডিও বার্তায় বিসিবিকে ধন্যবাদ দিয়ে মুশফিক বলেন,‘শেষ ৪ মাস সবার জন্যই কঠিন সময় গিয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি বাসা থেকে যতটুকু কাজ করা যায়। আমার জীবনে প্রথমবার দেখা এমন চার মাস প্রায় লকডাউন। বিসিবিকে অসংখ্য ধন্যবাদ তারা আমাকে এমন সুযোগ করে দিয়েছে। বিশেষ করে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগকে, তার এত সুন্দর করে পরিকল্পনামাফিক ৭-৮ দিনের অনুশীলনের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।’

‘আমি ৭-৮ দিন যেটা করেছি এটা খুবই ভালো হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। চার মাস ইনডোরে কাজ করা আর বাইরে কাজ করা সম্পূর্ণ আলাদা। চাচ্ছিলাম যে রোদে ও আউটফিল্ডে যেন রানিং করা যায়, ফিটনেস ওয়ার্কের সাথে স্কিল ওয়ার্কও।’- যোগ করেন মুশফিক।

সেই সাথে মুশফিকের আর্জি ঈদের পর যেন বড় পরিসরে অনুশীলনের ব্যবস্থা করে দেয় বিসিবি, ‘বিশ্বের অনেক দেশেই ক্রিকেট ফিরছে। যদিও তুলনা করতে গেলে তাদের সাথে আমাদের প্রেক্ষাপটটা ভিন্ন। তবুও আমি আশাবাদী ঈদের পর যদি পরিস্থিতি আরেকটু উন্নতি হয় আমরা যেন আবার একসাথে, একটা দল হয়ে অনুশীলন শুরু করতে পারি। যদি সবাই আত্মবিশ্বাসী থাকে আমরা মনে হয়, গ্রুপে ১৫-২০ জন না হলেও ২-৭ জন একসাথে শুরু করতে পারি। মাঠের মানুষ আমরা। মাঠেই যেন ফিরতে পারি এবং ম্যাচ খেলতে পারি সেদিকে মুখিয়ে আছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: