1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
রবিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

কুড়িগ্রামে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
  • ৪৫ Time View


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মহিধর খন্ডক্ষেত্র গ্রামে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে একদল দুর্বৃত্ত। দুর্বৃত্তদের হামলায় ধর্ষিত ছাত্রীর বাবা ও মা গুরুতর আহত হয়েছেন। এসময় তার বাড়িতে থাকা দুই ভরি স্বর্ণালংকার ও এক লাখ ৬০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় দৃর্বৃত্তের দল। রবিবার মধ্যরাতে এ ধরনের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসীরা জানান, রবিবার গভীর রাতে ৪ সদস্যের একটি দুর্বৃত্তের দল ওই গ্রামের এক ব্যক্তির বাড়িতে তালা ভেঙে প্রবেশ করে প্রথমে তার মাথায় আঘাত করে। পরে তার স্ত্রীকে (৩৮)বেদম মারপিট করে তার স্বর্ণের চেইন ও গলারহারসহ স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। এরপর তাদের নবম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে তুলে নিয়ে যায় এবং একটি জঙলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। আহত অবস্থায় মেয়েটি একজনের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। পরে প্রতিবেশীরা তাকেসহ তার বাবা ও মাকে দ্রুত কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

মেয়েটির বাবা জানান, তার ও তার স্ত্রীর মোবাইলে প্রায়ই মেয়েকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মেসেজ প্রদান করা হত। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটাতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি। এ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর থেকে রাজারহাট থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে রবিবার দুপুর তিনটার দিকে মেয়েটির বাড়ি ও জেনারেল হাসপাতালে পুলিশ সুপার পরিদর্শন করেন।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান জানান, এটি একটি দস্যুতার ঘটনা এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়াও এ ঘটনায় রাজারহাট থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: