1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

মসজিদগুলোকে সিনাগগ-বারে রূপান্তর করছে ইসরায়েল

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০
  • ৫৩ Time View

আন্তজাতিক ডেস্ক:

টাইবেরিয়াসের অন্যতম একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন প্রাচীন উমারি মসজিদ। এটি মসজিদে জায়দান নামেও পরিচিত। একটি বড় গম্বুজ এবং একটি মিনার সহ মামেলুক স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত হয়েছে মসজিদটি। ঐতিহাসিক এই মসজিদটি এখন পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে।

ইসরায়েলের আরব নাগরিকদের অধিকার আদায়ের জন্য গঠিত ‘হাই ফলোআপ কমিটির মুখপাত্র কামাল খতিব আনাদোলু এজেন্সিকে বলেছেন, ‘বেশিরভাগ ফিলিস্তিনিদের মতো টাইবেরিয়াসের বাসিন্দারাও নাকবার (১৯৪৮ সালের ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ) পরে সিরিয়া ও লেবাননে পালিয়ে গেছে। জাইদানি পরিবার অবশ্য সংলগ্ন শহর নাসেরেতে চলে গেছে।

খতিব বলেছিলেন যে, ‘জায়দানি পরিবার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে উমারি মসজিদটি সংস্কারের অনুমতি দেওয়ার জন্য বলেছিল। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ টাইবেরিয়াস পৌরসভা এটির সংস্কার করবে বলে যুক্তি দিয়ে তাদের সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল, কিন্তু বাস্তবে কিছুই ঘটেনি।’

তিনি বলেন, ‘মসজিদটিতে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মুসল্লি এবং দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় বর্তমানে মসজিদটি পরিত্যাক্ত হয়ে পড়েছে।’

সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইসরায়েলে ৪০টি মসজিদ হয় ধ্বংস, বন্ধ বা ত্যাগ করা হয়েছে। অন্যদিকে ১৭ টি মসজিদকে রেস্তোঁরা বা যাদুঘরে পরিণত করা হয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ, সাফেদের উত্তরের শহরে অবস্থিত আল-আহমার মসজিদকে একটি কনসার্ট হলে পরিণত করা হয়েছে। এছাড়া, সিজারিয়া শহরের আল-জাদিদ মসজিদকে মদের বারে পরিণত করা হয়েছে।

খতিব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, প্রাক-নকবা যুগে মসজিদগুলোতে নিয়মিত মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতো। নকবার পরে অবশ্য মসজিদগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছিল, বিশেষত গ্রাম অঞ্চলগুলোতে। অন্যান্য মসজিদগুলোকে উপাসনালয়, বার, যাদুঘর, ক্যাফে বা রেস্তোঁরায় পরিণত করা হয়েছিল।

খতিব বলেছিলেন যে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে আসা ফিলিস্তিনিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য আইন প্রণয়ন করেছে।

তিনি বলেন, নেসেট (ইসরায়েলের সংসদ) অনুপস্থিতদের সম্পত্তি অধিগ্রহণ আইন পাস করেছে। যার অধীনে ইসরায়েল আরব নাগরিকদের, যারা তাদের বাড়িঘর ফেলে অন্যত্র পালিয়ে গেছে তাদের বাড়িঘর এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে।

তবে ইসরায়েল উপাসনা বাদে অন্য কাজে মসজিদ ব্যবহার করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ২০১৫ সালের অক্টোবরে ইস্রায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল যে, ইসরায়েলে প্রায় ৪০০ মসজিদ রয়েছে এবং গত ২৫ বছরে উপাসকদের সংখ্যা পাঁচগুণ বেড়েছে।

খতিব অবশ্য ইসরায়েলের দাবি খারিজ করে বলেছেন, ইসরায়েলি সরকার দেশের ইতিহাসে কখনো কোন মসজিদ নির্মাণ করেনি।’

সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: