1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

স্কুলসহ,৪৯৮ বসতঘর বিলীন হয়ে গেছে পদ্মাগর্ভে

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০
  • ৬৩ Time View

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
এক বছর থেমে থেকে পদ্মা আবার আগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে। পদ্মার প্রবল স্রোতের তোড়ে জেলার নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা ইউনিয়নের ৮১ নম্বর বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি একতলা ভবন আজ বুধবার দুপুর ২টায় মুহূর্তেই বিলীন হয়ে গেছে পদ্মাগর্ভে। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে বিদ্যালয়ের অপর দ্বীতল ভবনটি। এ ছাড়া ৪টি মসজিদ, একটি নুরানী মাদ্রাসাসহ জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার ৪৯৮টি বসতবাড়ি পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়েছে। প্রত্যক্ষদশীরা বলছেন, স্রোতের গতি আরও বৃদ্ধি পেলে ভাঙন আরও ভয়াবহ হতে পারে।

বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন, স্থানীয় ডা. তৌহিদুল ইসলাম ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, উজানের পানি নামতে শুরু করার পর থেকেই পদ্মা বেষ্টিত জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার নদী তীরবর্তি এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। আজ দুপুর ২টার দিকে নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা ইউনিয়নের বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একতলা একটি পাকা ভবন মুহূর্তের মধ্যেই চলে গেছে পদ্মাগর্ভে। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে ওই বিদ্যালয়ের ত্রিশ গজ দূরত্বে থাকা দ্বিতলা অন্য ভবনটিও। এই ভবনটিও যে কোন সময় গ্রাস করবে আগ্রাসী পদ্মা। পদ্মার দুর্গম চরাঞ্চলের শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতে ১৯৪২ সালে নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা ইউনিয়নের ৮১ নম্বর বসাকেরচর স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিলীন হওয়া ভবনটি ২০১৫/২০১৬ অর্থ বছরে ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল। এই বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ভবনটিও নদীগর্ভে বিলীন হলে অনিশ্চিত হয়ে পরবে ৩৭৫ জন কোমলমতি শিশুর শিক্ষা জীবন।

এ দিকে স্রোতের তোড়ে আজ চরআত্রা ইউনিয়নের বসাকের চরের ৫০টি বসত বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে জানান স্থানীয় লোকজন।

জাজিরা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আশরাফ উজ্জামান ভুইয়া জানান, পদ্মার প্রবল স্রোতে এ যাবত জাজিরা উপজেলার কুন্ডেরচর, বড়কান্দি ও নাওডোবা ইউনিয়নের ৪০৩টি বসত বাড়িসহ অনেক ফসলী জমি বিলীন হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে ভাঙন কবলিতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে এবং ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়ন্তী রুপা রায় জানান, পদ্মার প্রবল স্রোতে আজ চরাত্রা ইউনিয়নের বসাকেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একতলা একটি পাকা ভবন পদ্মাগর্ভে বিলীন হয়েছে। ৩০ গজ দূরত্বে থাকা অন্য দ্বিতল ভবনটিও রয়েছে ভাঙন ঝুঁকিতে। এ ছাড়াও আজ বসাকেরচরের ৫০টি বসত বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। এর আগে আরো ৪৫টি বসত বাড়ি পদ্মায় বিলীন হয়েছে। ভাঙন কবলিতদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, পদ্মার স্রোত বৃদ্ধির সাথে সাথে আমরা স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে স্কুল ভবনটি রক্ষার জন্য জিওব্যাগ ডাম্পিং করেও শেষ রক্ষা হলো না। তবে ঝুঁকির বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করা ছিল। বর্ষা মৌসুম চলে যাওয়ার পর ওই সকল শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা চালু রাখার জন্য ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ভাঙন কবলিত পরিবারগুলোর তালিকা প্রস্তুত কাজ চলছে। ওই সকল পরিবারগুলোকে ঘর নির্মাণের জন্য ঢেউটিন ও নগদ টাকা দেয়ার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: