1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

নিদ্রাহীনতা থেকে পরিত্রাণের মোক্ষম উপায়

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৭ Time View

নিদ্রাহীনতা
লাইফস্টাইল ডেস্ক

সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য ঘুম খুব জরুরি। তবে নানা ব্যস্ততা কিংবা মানসিক চাপে থাকার কারণে অনেকেই রাত জেগে থাকেন। আবার কেউ কেউ রাত জেগে মোবাইল ঘাটাঘাটি করে অলস সময় কাটান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের তিন ভাগের এক ভাগ সময় ঘুমের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিত হলেও অনেকেই বিভিন্ন সমস্যার কারণে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। ঘুম ভালো না হলে সারাদিন অস্বস্তিতে ভুগতে হয়। নির্ঘুম রাত কাটানোয় নানারকম মানসিক সমস্যাও দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের তিন ভাগের এক ভাগ সময় ঘুমের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিত। কিন্তু যেকোনো বয়সের মানুষই ঘুমের সমস্যার শিকার হতে পারেন। অনেকে হয়তো বিষয়টি অনুমানও করতে পারে না।

সবারই ঘুমের একটি নির্দিষ্ট রুটিন করে চলা উচিত। ঘড়ি ধরে ঘুমাতে গেলে অতিরিক্ত চিন্তা, খিটখিটে মেজাজ ও গ্যাস্ট্রিকের মতো নানারকম সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। বর্তমানে যেকোনো বয়সীরাই কিছু বদভ্যাসের কারণে অনিদ্রার মত সমস্যায় পড়ে যাচ্ছে। ইলেকট্রনিক জিনিসপত্রের ওপর অতি নির্ভরশীলতা, তৈলাক্ত খাবার খাওয়া, অ্যালকোহল সেবন, দুশ্চিন্তা করা ইত্যাদিও অনিদ্রার পেছনে অন্যতম কারণ।

নিদ্রাহীনতা থেকে পরিত্রাণের কিছু মোক্ষম উপায় রয়েছে। এই যা মেনে চলা উচিত। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই উপায়গুলো সম্পর্কে-

ঘুমানোর আগে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা যাবে না। চোখ বন্ধ করে চোখকে বিশ্রাম দিতে হবে। মোবাইল স্ক্রিনের এলইডি লাইট চোখের ওপর প্রভাব ফেলে। এছাড়া ডিজিটাল স্ক্রিন মস্তিষ্ক থেকে মেলাটোনিন নিঃসরণ কমিয়ে দেয় ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

রাতের খাবার আগেভাগে খেয়ে ফেলা উচিত এবং এর পরে চা কফি না খাওয়াই ভালো। কারণ কফিতে থাকা ক্যাফেইন ঘুম নষ্ট করে দেয়। অ্যাড্রিনালির নিঃসরণ বাড়িয়ে আপনাকে আরো সজাগ করে তোলে। মাথায় তৈরি হওয়া কেমিকেল অ্যাডিনোসিন যা ঘুমোতে সাহায্য করে, চা বা কফি সেটার নিঃসরণ আটকে দেয়।

যেকোনো ধরনের তৈলাক্ত খাবার জাঙ্ক ফুড এগুলো বাদ দিতে হবে। কারণ অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

ধূমপানের বদ অভ্যাস শুধুমাত্র আপনার ফুসফুস কিংবা শ্বাসনালীরই ক্ষতি করছে না, পাশাপাশি ঘুমেরও ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। তামাকজাত দ্রব্যে নিকোটিন থাকে যা আপনার মস্তিষ্ককে জাগ্রত রাখতে সহায়তা করে এবং ঘুমের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আবার গভীর রাতে খাবার খাওয়া কিংবা অশরীরী কোনো সিনেমা দেখলে তা চোখের উপর প্রভাব ফেলে এবং ঘুম সহজে আসে না। এ ধরনের কিছু বদভ্যাসগুলোকে পরিবর্তন করতে পারলে নিদ্রাহীনতার সমস্যা থেকে পরিত্রাণ সম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: