1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

টেকনাফ বড় দুই কর্মকর্তার ছায়ায় ছিলেন প্রদীপ!

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০
  • ৬২ Time View

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রদীপ কুমার দাশ

দিন যতই যাচ্ছে একে একে বেরিয়ে আসছে টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নতুন তথ্য। মুখ খুলতে শুরু করেছেন প্রদীপের অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার মানুষের স্বজনরা। তাদের বর্ণনায় প্রকাশ পাচ্ছে গা শিউরে ওঠার মতো সব ভয়ংকর ঘটনা। তিন বছর আগেই নিভে যেতে পারতো প্রদীপের আলো। কিন্তু বড় দুই কর্মকর্তার ছায়ায় প্রদীপের তৎপরতা আগের মতোই ছিল।
২০১৭ সালে প্রদীপ কুমারের বিরুদ্ধে বিচার বহির্ভূত হত্যার অভিযোগ দাখিল করতে চেয়ে রিট হয়েছিল। লবণ ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তারকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেন ওসি প্রদীপ। এরপর সাজানো হয় ‘বন্দুকযুদ্ধ’ নাটক। এমনটাই দাবি করেন আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী। এফআইআর দাখিলের আদেশও দেন হাইকোর্ট। কিন্তু ওই দুই কর্মকর্তার অবস্থানের কারণেই বহাল তবিয়তে ছিলেন প্রদীপ।

আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের নজরে আনার পরও প্রদীপের তৎপরতা চলমান থাকার দায় পৃষ্ঠপোষকদের।

২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মহেশখালী মাঝেরপাড়ার ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার পুলিশের গুলিতে নিহত হন। কিন্তু পুলিশ জানায়, পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালান আব্দুস সাত্তার। আত্মরক্ষার্থে পুলিশের পাল্টা গুলিতে মারা যান তিনি।

এদিকে হাইকোর্টে করা রিটে আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী বলছেন, ঘটনার দিন গভীর রাতে বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ। সকাল ৭টায় কালামারছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে নেয়া হয়। সেখানে নয়াপড়া মসজিদের সামনে তার স্বামীকে মারধর করা হয়। পরে প্রদীপ কুমার দাশই তাকে গুলি করেন। এ ঘটনার সাক্ষী ১০ জন। প্রদীপ কুমারসহ ২৯ জনকে আসামি করা হয়।

একই বছরের জুনে রিট পিটিশন আদেশে আব্দুস সাত্তারের বিষয়টি এফআইআর হিসেবে নিতে আদেশ দেন হাইকোর্ট। প্রত্যাহার চেয়ে বড় এক কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। যা উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেন আদালত। ২০১৮ সালের ১৩ মে চেম্বার আদালত স্থগিতাদেশ দিলে সুপ্রিম কোর্ট আবারো শুনানির জন্য হাইকোর্টে পাঠানোর আদেশ দেন।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশেদুল হক খোকন বলেন, যথাসময়ে ব্যবস্থা নিলে বিচার-বহির্ভূত হত্যার পুনরাবৃত্তি এড়ানো যেত। বিষয়টি আমরা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচরে নিয়ে এসেছিলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: