1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

৪৫ হাজার ঔষধি ও ফলের চারা প্রস্তুত সাতছড়ির প্রাণিদের জন্য

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
  • ২৭ Time View

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বন্যপ্রাণির খাদ্যের জন্য ৪৫ হাজার ঔষধি ও ফল গাছের চারা প্রস্তুত করা হয়েছে।

সাতছড়ি রেঞ্জ অফিসের কাছে নার্সারিতে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের সুফল প্রকল্পের আওতায় এ গাছের চারাগুলোর নিয়মিত দেখভাল করা হচ্ছে। ২০২০-২১ অর্থ বছরে এ বনের স্থানে স্থানে পতিত জমিতে চারাগুলো রোপণ করা হবে। এ লক্ষে বনবিভাগ থেকে পুরো প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এ তথ্য জানালেন সাতছড়ি বন্যপ্রাণি রেঞ্জের সাতছড়ি বিট কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম সামসুদ্দিন।

তিনি বলেন, এ বনে দুই শতাধিক প্রজাতির উদ্ভিদের মধ্যে শাল, সেগুন, আগর, গর্জন, চাপালিশ, পাম, মেহগনি, কৃষ্ণচূড়া, ডুমুর, জাম, জামরুল, সিধা জারুল, আওয়াল, মালেকাস, আকাশমনি, বাঁশ, বেত ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এবার নতুন করে চাপালিশ, জাম, গর্জন, অর্জুন, জলপাই, তেঁতুল, জামরুল, বহেরা, আমলকি, হরিতকিসহ ঔষধি ও ফলের চারা রোপণ করা হবে। এসব গাছের ফল খেয়ে বন্যপ্রাণির জীবন রক্ষা পাবে। সেই সাথে গাছগুলো অক্সিজেন দিবে। সবমিলিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য বিরাট উপকার হবে।

আবুল কালাম সামসুদ্দিন বলেন, এ উদ্যানে রয়েছে ১৯৭ প্রজাতির জীব-জন্তু। এর মধ্যে ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ৬ প্রজাতির উভচর। আরো আছে প্রায় ২০০ প্রজাতির পাখি। রয়েছে লজ্জাবতী বানর, উল্লুক, চশমা পরা হনুমান, শিয়াল, কুলু বানর, মেছো বাঘ, মায়া হরিণের বিচরণ।

সরীসৃপের মধ্যে আছে কয়েক জাতের সাপ। কাও ধনেশ, বন মোরগ, লাল মাথা ট্রাগন, কাঠঠোকরা, ময়না, ভিমরাজ, শ্যামা, ঝুটিপাঙ্গা, শালিক, হলদে পাখি, টিয়া প্রভৃতির আবাসস্থল এই উদ্যান।

তিনি বলেন, বনবিভাগের কঠোর দেখভালে দিন দিন মারা হরিণসহ বন্যপ্রাণির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বনে প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার মায়া হরিণ রয়েছে। নতুন গাছগুলো বড় হয়ে ফল দিলে প্রাণির বিচরণ আরো বৃদ্ধি পাবে। বন্যপ্রাণির খাদ্য সংকট হবে না।

নার্সারি শ্রমিক সুমন রায় বলেন, উন্নতজাতের বীজ দিয়ে চারাগুলো উৎপাদন করা হয়েছে। নিয়মিত পরিচর্যা করা হচ্ছে। ঔষধি ও ফলের চারাগুলো দ্রুত বেড়ে উঠছে। এসব চারা রোপণ করলে বন্যপ্রাণির খাবার তৈরি হবে।

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ত্রিপুরা পল্লির হেডম্যান চিত্তরঞ্জন দেববর্মা বলেন, এ উদ্যান চিরহরিৎ। এখানে প্রচুর বন্যপ্রাণির বিচরণ আছে। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার প্রয়োজন। নতুন করে ফল ও ঔষধি গাছের ৪৫ হাজার চারা রোপণ করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।

চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার সত্যজিত রায় দাশ বলেন, সত্যি চমৎকার এ উদ্যান। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণির বসবাস। এসব বন্যপ্রাণির জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার দরকার। নতুন করে ৪৫ হাজার ফল ও ঔষধি গাছের চারায় এ উদ্যান আরো গভীর অরণ্য হয়ে উঠবে।

প্রিন্ট করুন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: