1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

আজ বিকেলেই পৃথিবীর কান ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে এই গ্রহাণু

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৪ Time View

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক:

পৃথিবীর একেবারে কান ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে একটা গ্রহাণু বা ‘অ্যাস্টারয়েড’। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলেই এই গ্রহাণুটি বেরিয়ে যাবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটি নাগাদ। এই গ্রহাণুটি দেখতে অনেকটা ছোট স্কুলবাসের মতো।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা বুধবার এই খবর দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, যখন সবচেয়ে কাছে আসবে তখন ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১৩ হাজার মাইল বা ২২ হাজার কিলোমিটার উপরে থাকবে গ্রহাণুটি। তার নাম দেয়া হয়েছে ‘২০২০ এসডব্লিউ’। গত বছরের সেপ্টেম্বরে অ্যারিজোনায় নাসার ক্যাটলিন স্কাই সার্ভে অবজারভেটরি প্রথম হদিস পায় গ্রহাণুটির।

পৃথিবীর বিভিন্ন কক্ষপথে থাকা ভূসমলয় উপগ্রহগুলি (জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট) রয়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে মোটামুটি ২২ হাজার মাইল বা ৩৬ হাজার কিলোমিটার উপরে। ফলে নাসার দেয়া হিসাব মতো এই গ্রহাণুটি আজ ভূসমলয় উপগ্রহগুলো যেখানে রয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তার অর্ধেক উচ্চতায় কান ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে পৃথিবীর।

নাসা থেকে আরো জানানো হয়েছে, গ্রহাণুটির যা গতিপথ তাতে পৃথিবীকে ধাক্কা দেয়া কোনো সম্ভাবনা নেই। যদি তা থাকতও তা হলেও আকারে খুবই ছোট বলে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতিও হবে না আমাদের। এই বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে সংঘর্ষে তা জ্বলে-পুড়ে গিয়ে একটা উজ্জ্বল উল্কার মতো হতো বড় জোর। একটা আগুনের গোলা। তার ফলে পরে উল্কাবৃষ্টির ঘটনাও ঘটতে পারে।

গ্রহাণুটির এখনো পর্যন্ত যা ঔজ্জ্বল্য তা পরীক্ষা করে নাসা জানিয়েছে, চওড়ায় ২০২০ এসডব্লিউ গ্রহাণুটি হবে বড়জোর ১৫ থেকে ৩০ ফুট বা ৫ থেকে ১০ মিটার। ছোট একটা স্কুলবাসের মতো। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মঙ্গল আর বৃহস্পতির মাঝখানে থাকা গ্রহাণুপুঞ্জ বা ‘অ্যাস্টারয়েড বেল্ট’ থেকে কিন্তু আসেনি এই গ্রহাণুটি। এসেছে পৃথিবীর অনেক কাছের এলাকা থেকে। তাই এদের নাম ‘নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট’ বা ‘এনইও’।

নাসার জেট প্রোপালসান ল্যাবরেটরির ‘সেন্টার ফর নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজ’-এর অধিকর্তা পল কোডাস বলেছেন, এমন ধরনের ছোটখাটো গ্রহাণু প্রচুর পরিমাণে রয়েছে পৃথিবীর কাছাকাছি। এদের বলা হয় নিয়ার-আর্থ অবজেক্টস। নিজের কক্ষপথে প্রদক্ষিণের সময় সেই কাছেপিঠের মুলুক থেকে বছরে বেশ কয়েক বার বহু গ্রহাণু এই ভাবে এসে পড়ে পৃথিবীর কাছাকাছি। তাদের মধ্যে বছরে এক বা দুইটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয় আমাদের বায়ুমণ্ডলের।

নাসা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় বিকেল পৌনে ৫টা নাগাদ অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় ৫টা ৪৫ মিনিট নাগাদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসার সময় গ্রহাণুটি থাকবে দক্ষিণ-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের উপর। গ্রহাণুটি আবার পৃথিবীর কাছাকাছি আসবে ২১ বছর পর। ২০৪১ সালে। তবে তখন এতটা কাছে আসবে না পৃথিবীর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই শাখায় অন্যান্য খবর