1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  3. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

ব্রণ প্রতিরোধে খাবারদাবার

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৭ Time View

১৩ থেকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত ৯০ শতাংশ লোকের ব্রণজনিত সমস্যা কমবেশি হয়ে থাকে। ২০ বছর বয়সের পর থেকে নিজে থেকেই এ সমস্যা ভালো হয়ে যেতে থাকে। ব্রণ প্রতিরোধে খাবারদাবারের রয়েছে ব্যাপক ভূমিকা। এ রকম কিছু খাবার হলো :

পানি ও শসা
ত্বক সুস্থ রাখতে প্রচুর পানি পান করতে হবে। দেহের অভ্যন্তরে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে পানি। আরেকটি মজার বিষয় হচ্ছে, পানির ঘাটতি মেটাতে শসার কিন্তু জুরি নেই। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’, পানি এবং অ্যামিনো এসিড, যা ত্বককে রাখে কোমল। পাশাপাশি ব্রণ প্রতিরোধ করে।

ভিটামিন ‘সি’
ভিটামিন ‘সি’ ব্রণের জন্য অত্যন্ত উপকারী। উল্লেখযোগ্য ‘সি’-সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে লেবু, টমেটো, কমলালেবু। টমেটোতে বিদ্যমান প্রচুর পরিমাণ ‘সি’ ও বায়োফ্লেভানয়ডেস যা ব্রণের সমস্যার সমাধানে কাজ করে।

সবুজ ও আঁশবহুল শাক-সবজি
ব্রোকলি, পালংশাক, লেটুস পাতা, মেথি শাক ইত্যাদিতে ফোলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার, ভিটামিনজাতীয় পুষ্টি রয়েছে, যা দেহে সামগ্রিক পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য দরকারি।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ত্বকের অন্যতম পুষ্টি হিসেবে কাজ করে। ত্বকের মধ্যে থেকে একটি স্বাস্থ্যকর আভা সরবরাহ করে। ওমেগা-৩ পাওয়া যায় সামুদ্রিক মাছ, বাদাম ইত্যাদিতে।

কুমড়ার বীজ
প্রতিদিনের খাবার তালিকায় কুমড়ার বীজ যোগ করা হলে তা ত্বক ভালো রাখতে সহায়তা করে। কুমড়ার বীজ জিংকসমৃদ্ধ। শুধু ত্বকের স্বাস্থ্যই ভালো রাখে না, বরং ব্রণের কারণে হওয়া লালচে ভাব, ব্যথা ও ফোলাভাব এবং দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এতে আছে ওমেগা থ্রি ও সিক্স ফ্যাটি এসিড।

পেঁপে
পেঁপের উজ্জ্বল কমলা রঙে আছে অত্যাবশ্যকীয় এনজাইম প্যাপাইন ও কায়ম্যাপোপেইন, যা ব্রণ কমাতে চমৎকার কাজ করে।

রসুন
রসুনে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট অ্যালিসিন নামের উপাদানে পূর্ণ, যা শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া ও ভাইরাসকে ধ্বংস করে।

এ ছাড়া লাল আঙুর, ব্রাউন রাইস, ভিটামিন ‘এ’ ও ‘ই’-সমৃদ্ধ খাবার ব্রণের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

কিছু টিপস
♦ তৈলাক্ত খাবার, চকোলেট, ঝাল, ভাজাপোড়া খাবার, আইসক্রিম ও অন্যান্য ফাস্ট ফুড পরিহার করতে হবে।

♦ কোষ্ঠকাঠিন্য ও পুষ্টিহীনতা থাকলে প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের শরণাপন্ন হতে হবে।

♦ ব্রণ হওয়ার আরেকটি বিশেষ কারণ ওজনাধিক্য। তাই অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে

♦ ত্বক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

♦ মুখের তৈলাক্ততা কমানোর জন্য পানির ঝাপটা দিতে হবে নিয়মিত।

♦ মুখে বা অন্য কোথাও ঘাম হলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন।

♦ রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে হবে। কারণ যিনি রাত জাগেন তাঁর হরমোনজনিত সমস্যা ছাড়াও হজমক্ষমতা, কিডনির অক্ষমতা ইত্যাদি লেগেই থাকবে। তাই রাতে দ্রত ঘুমিয়ে পড়ুন।

♦ মানসিক চাপ থেকে সদা মুক্ত থাকুন।

♦ মাথা খুশকিমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন ইত্যাদি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: