1. admin@banglarrobi.com : admin :
  2. jahedulhaque24@gmail.com : Masud Rahman : Masud Rahman
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০২:০৬ অপরাহ্ন
নোটিশ:
সংবাদাতা নিয়োগ চলছে... যোগাযোগ : 01708515535

যুক্তরাজ্যে বর্ষসেরা চিকিৎসক বাংলাদেশি ফারজানা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
  • ১৩৫ Time View


দৈনিক বাংলার রবি:

যুক্তরাজ্যের বর্ষসেরা চিকিৎসক (জিপি অব দ্য ইয়ার) মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারজানা হুসেইন। যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর জেনারেল প্র্যাকটিসের জন্য এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। খবর দ্যা পালস ডট ইউকের। পূর্ব লন্ডনের নিউহ্যামে বসবাসকারী ফারজানা হুসেইন গত ১৮ বছর ধরে স্থানীয় পর্যায়ে এই খেতাব পেয়ে আসছিলেন।

এবার তিনি জাতীয় পর্যায়েও জিপি (জেনারেল প্রাক্টিসনার) বা বর্ষসেরা চিকিৎসক মনোনীত হলেন। পুরস্কারটি প্রদান করেছে যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক সংস্থা দ্য ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস)। এনএইচএসএর ৭২ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে ব্রিটেন, সে সময়ই ঘোষিত হলো ফারজানার নামটিও।

ফারজানা হুসেইন গত ৩ বছরে নিউহ্যামের স্থানীয় চিকিৎসা কমিটিতে ছিলেন। সেইসঙ্গে নিউহ্যামের জেনারেল প্র্যাকটিস ফেডারেশনের বোর্ড ডিরেক্টরের দায়িত্বও পালন করে আসছেন। এ ছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের এনএপিসির কাউন্সিল সদস্য। সম্প্রতি তিনি প্রাথমিক কেয়ার নেটওয়ার্কের জন্য একজন ক্লিনিক্যাল পরিচালক হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন।

এন এইচ এস এর সেরা চিকিৎকসকদের সম্মান জানাতে তাদের ছবি দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিলবোর্ড স্থাপন করেছে। সেই বিলবোর্ডে বিভিন্ন বিভাগে সেরা ঘোষিত অন্য আরো ১২ জন চিকিৎসকের সাথে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত এই চিকিৎসক ফারজানা হোসেনের ছবি।

স্থানীয় একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ফারজানা বলেন, হুসেন ইস্টার্ন আইকে বলেছিলেন যে তিনি ‘ওষুধের আশেপাশেই বেড়ে উঠেছেন’ কারণ তার বাবা ছিলেন ডাক্তার এবং বড়দিনের দিন হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলিতে তার পিতার, সাথে তিনি গিয়েছেন পাঁচ বছর বয়সী হিসাবে, আমি তার সাথে এসেছি এবং নার্সরা আমাকে দেওয়া চকোলেটগুলি আমি উপভোগ করেছি এবং আমি যখন একটি ছোট মেয়ে ছিলাম তখন ওয়ার্ডের সমস্ত রোগী দেখেছিলাম। আমার কিশোরী বয়সে মা খুব অসুস্থ ছিলেন। এবং প্রথম বর্ষের মেডিক্যাল ছাত্র থাকা অবস্থায় তার মা মারা যান। এটি আমাকে কেবল চিকিত্সা অধ্যয়ন করতে নয় রোগীদের সত্যিকারের সেবা করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল।

ফারজানা জানান, লন্ডন থেকে আড়াই শ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে তিনি কার্ডিফের সাউথ ওয়েলসের ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েলস, কলেজ অফ মেডিসিন থেকে লন্ডনে আসতেন তার মায়ের সাথে দেখা করতে। যিনি শেষ পর্যায়ের হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ছিলেন। তাকে সত্যিই অসুস্থ লাগছিল। আমি নিশ্চিত ছিলাম না যে আমি তাকে ছেড়ে মেডিক্যাল স্কুলে ফিরে যাব, বা থাকব কিনা। তিনি বললেন, তোমাকে অবশ্যই ফিরে যেতে হবে। আমি চাই তুমি একজন ডাক্তার হয়ে মানুষকে সহায়তা করো। আমি ঠিক হয়ে যাব। অথচ পাঁচ দিন পরে তিনি মারা যান।

‘প্রায় দুই দশক পরে এসে ও আমি জানি না আমি আমার মায়ের সেই ইচ্ছার যোগ্য হতে পেরেছি কি না। তবে আমি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি আমি যখন আমার রোগীদের দেখাশোনা করি তখন আমি মনে করি তারা কারও পরিবার।’

উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে স্কলারশিপ নিয়ে হিসাবে ব্রিটেনে এসেছিলেন ডাক্তার ফারজানার বাবা। এরপর থেকে তাদের পরিবার ব্রিটেনেই বসবাস করে আসছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All rights reserved © 2021 Banglarrobi.com
Theme Customization By NewsSun