1. admin@banglarrobi.com : admin :
  2. jahedulhaque24@gmail.com : Masud Rahman : Masud Rahman
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
নোটিশ:
সংবাদাতা নিয়োগ চলছে... যোগাযোগ : 01708515535

ভারতের বিরুদ্ধে উস্কানির পিছনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ এই সুন্দরী!

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০
  • ৮৪ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

একদিকে ভারত এবং চীন সংঘাত। অন্যদিকে নেপালের আগ্রাসী মনোভাব। কূটনৈতিকমহলের মতে, নেপালের এহেন আচরণের পিছনে রয়েছে কমিউনিস্ট চীন। গত কয়েকদিন আগে নতুন মানচিত্র সামনে এনেছে। যেখানে ভারতের তিন জায়গাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে। ভারতের লিপুলেখ, কালাপানি এবং লিম্পিয়াধুরাকে নিজেদের বলে দাবি করে নেপাল।

নেপালের সংসদেও পাস হয় সেই সংক্রান্ত প্রস্তাব। কূটনৈতিকমহলের মতে, এই কাজে চীন ব্যবহার করছে নেপালে নিযুক্ত সেদেশের রাষ্ট্রদূত হউ ইয়ানচিকে। সূত্রের খবর, নেপালের প্রকাশিত মানচিত্র বিলটি সংসদে পাঠানোর পিছনেও সক্রিয় ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়ানকি। কিন্তু, ভিন দেশের এক রাষ্ট্রদূত হঠাৎ নেপালে এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেন কীভাবে?

অনেকে বলছেন, গত কয়েকদিন আগে প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিও। প্রকাশ্যে আসা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে এক অনুষ্ঠানে নেপালের গয়না এবং লেহেঙ্গা চোলি পরে, লোকসঙ্গীতের তালে নাচতে দেখা যায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়ানকিকে। তার নাচে মুগ্ধ হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিও।
এতটাই তার উপর মুগ্ধ হয়ে পড়েন যে ধীরে ধীরে ইয়ানচিক ওলির ঘনিষ্ঠমহলে ঢুকে পড়ে। বিভিন্ন বিষয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পাশে থেকেছেন। ওলির কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছেন। বিশ্বাস অর্জন করেছেন। তার উপর নেপালের প্রধানমন্ত্রীর গ্রহণযোগ্যতা অনেকটাই বেড়ে যায়।

প্রকাশিত এক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, নেপালের সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হয়। আর সেই সময় আসরে নেমে পড়েন হউ ইয়ানচিক তাঁর বুদ্ধিতেই নাকি সমস্যার সমাধান হয়। ফলে নেপালের একেবারে ঘরের মানুষ হয়ে যায় সে। অনেকে বলেন, চীনের রাষ্ট্রদূত হতে পারেন হউ ইয়ানচিক। কিন্তু চীনা সেনা কর্তা থেকে সে-দেশের প্রধানমন্ত্রী, সবার দফতরেই অবাধ যাতায়াত তার। নেপালের সর্বত্র তার অবাধ বিচরণ।

নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী তাকে বিশেষ নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান। এখানেই শেষ নয়, নেপালের পর্যটনমন্ত্রী আবার তাঁর জন্য বিশেষ আউটডোর ফটোশুটেরও বন্দোবস্ত করে দেন। সব মিলিয়ে নেপালে তার বিশাল ক্ষমতা। আর সেই ক্ষমতার বলে ক্রমশ নেপালকে ভারত বিরোধী করে তুলছে।

অনেকেই বলছেন, তার অঙ্গুলিহেলনেই সমস্ত কিছু হচ্ছে। মানচিত্র সংশোধন থেকে ভারতীয় সীমান্তে সেনা ছাউনি তৈরি করা সবকিছুর পিছনে নাকি তিনিই আছেন। নেপালের সেনাপ্রধানের সঙ্গেও তাঁর ভয়ঙ্কর ভাব।

আর তাই নেপালের বেশির ভাগ গ্রামেই চীনের বাহিনী ঢুকে পড়লেও চুপ করে আছেন কাঠমাডু। করোনা সঙ্কটের শুরুতেই ইয়ানকি চীন ও নেপালের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দেন। কথা দেন, করোনা কালে নেপালকে সবরকম সাহায্য করবে চীন। সূত্র : কলকাতা ২৪x৭ এর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All rights reserved © 2021 Banglarrobi.com
Theme Customization By NewsSun