1. admin@banglarrobi.com : admin :
  2. jahedulhaque24@gmail.com : Masud Rahman : Masud Rahman
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ:
সংবাদাতা নিয়োগ চলছে... যোগাযোগ : 01708515535

সাহেদ মূলত ধুরন্ধর ও অর্থলিপ্সু: র‍্যাব ডিজি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
  • ৮৯ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:

‘বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালে করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়াসহ নানা প্রতারণার সঙ্গে জড়িত মামলার প্রধান আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম নিজেকে যতই ক্লিন ইমেজের ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করুক না কেন, সে মূলত চতুর, ধুরন্ধর, অর্থলিপ্সু।’
বুধবার দুপুর ৩টায় র‌্যাব সদর দফতরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন র‌্যাবের ডিজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তার প্রতারণার কিছু অভিযোগ তুলে ধরে র‍্যাব ডিজি বলেন, সে নিজেকে কখনো অবসরপ্রাপ্ত কখনো চাকরিরত সেনা কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিতো। কখনো মিডিয়া ব্যক্তিত্ব পরিচয় দিতো এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সুকৌশলে ছবি তুলে সেটা ব্যবহার করতো। এমনকি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, সাহেদ বালু, পাথর ব্যবসায়ীদের ভুয়া লাইসেন্স দিয়ে প্রতারিত করেছে।

তিনি বলেন, সাতক্ষীরা থেকে আটক করে ঢাকায় আনার পর সাহেদ ও তার সঙ্গী গ্রেফতারকৃত মাসুদকে নিয়ে অভিযানে যায় র‍্যাব। সেখানে রিজেন্ট গ্রুপের এক কার্যালয় থেকে এক লাখ ৪৬ হাজার জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।

করোনা পরীক্ষার রিপোর্টের নামে প্রতারণা কথা তুলে ধরে র‍্যাব ডিজি আরো জানান, তার বিরুদ্ধে অনেক মামলার বিষয়ে জানা গেছে। সেসবের তথ্য যাচাই বাছাইয়ের কাজ চলছে। করোনা পরীক্ষার রিপোর্টের নামে প্রতারণা করছিল। বিনামূল্যে পরীক্ষা করার কথা থাকলেও ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা করে নেয়া হতো। পুনরায় পরীক্ষার জন্য ১ হাজার টাকা গ্রহণ করতো। আইসিইউতে ভর্তি করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করতো। এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের অধিক পরীক্ষা করে ৬ হাজার ভুয়া রিপোর্ট দিয়েছে সাহেদের প্রতিষ্ঠান। একদিকে রোগীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, আরেক দিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বিলও জমা দিয়েছে সাহেদের হাসপাতাল রিজেন্ট।

কোথায় আত্মগোপনে ছিল
গত কয়দিন সে কোথায় ছিল জানাতে গিয়ে র‍্যাব ডিজি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, একেকদিন একেক জায়গায় আত্মগোপনে ছিল। ঢাকা, কক্সবাজার, সাতক্ষীরা অঞ্চলে সুকৌশলে আত্মগোপনে ছিল সে। দেড় হাজার কোমড়পুর সীমান্তে লবঙ্গবাতি খাল দিয়ে নৌকাতে করে দেশত্যাগের চেষ্টা করলে সে ধরা পড়ে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যেভাবে ধরা হলো
কীভাবে এই প্রতারককে ধরা হলো সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে র‍্যাব ডিজি বলেন, এরইমধ্যে আপনারা জেনেছেন সাহেদ কী মানের প্রতারণার কাজ করতে পারে। গত কয়েকদিন ধরেই সে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা পরিবর্তন করছিল। আমরা তাকে ফলো করেছি। সবশেষে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়েছি।

ঢাকা কবে ছেড়েছে এমন প্রশ্নে র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, সে ঢাকা ছেড়েছে আবার ঢাকায় ফিরেছে, আবার বেরিয়েছে। এসবের মধ্যেই ছিল। এই পুরো সময়টাতে সে কখনো ব্যক্তিগত গাড়ি, কখনো হেঁটে, কখনো ট্রাকে চলাচল করছিল। অবশেষে নৌকা দিয়ে পার হওয়ার সময় আমরা তাকে ধরতে সক্ষম হয়েছি।

প্রিন্ট করুন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All rights reserved © 2021 Banglarrobi.com
Theme Customization By NewsSun