1. admin@banglarrobi.com : admin :
  2. jahedulhaque24@gmail.com : Masud Rahman : Masud Rahman
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ:
সংবাদাতা নিয়োগ চলছে... যোগাযোগ : 01708515535

রাজনৈতিক উদ্যোগ দাবি রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে জোরালো

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৪৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটি জোরদার করার জন্য জাতিসংঘ, আইএনজিও এবং সরকারের কাছে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে কক্সবাজার সিএসও এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ)। কক্সবাজারে কর্মরত ৫০টি স্থানীয় ও জাতীয় এনজিওর এই নেটওয়ার্কটি রোহিঙ্গা আগমনের তৃতীয় বছরের প্রাক্কালে আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবি জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৯৯২ সালে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনে সময় লেগেছিল ১০ বছর। এই মুহুর্তে রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রত্যাবাসন শুরু হলেও তা সম্পন্ন হতে এক দশকেরও বেশি সময় লাগবে। তাই এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে অলস অবস্থায় রাখা উচিত নয়, তাদের মানবিক মর্যাদার সুবিধার্থে তাদের জন্য সহজে বহন ও স্থানান্তরযোগ্য ঘর, শিক্ষা ও উপার্জনমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত।

বিজ্ঞপ্তিতে সিসিএনএফ রোহিঙ্গা ব্যবস্থাপনায় স্থানীয়দের অংশগ্রহণ, খরচ কমিয়ে আনা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে ১১ দফা সুপারিশমালা তুলে ধরেছে। সেখানে বলা হয়েছে- সরকারের নেতৃত্বাধীন একটি একক ব্যবস্থাপনা এবং সকল তহবিল ব্যবস্থাপনার একটি একক চ্যানেল বা মাধ্যম থাকতে হবে। জাতিসংঘের সংস্থাগুলোকে সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করতে হবে। রোহিঙ্গা শিবিরে ত্রাণ ও মানবিক কর্মীদের যাতায়াত খরচ কমিয়ে আনতে এবং কক্সবাজার শহরের ওপর চাপ কমাতে ত্রাণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত সংস্থাগুলোর কার্যালয় টেকনাফ বা উখিয়ায় স্থানান্তর করতে হবে। শরণার্থীদের জন্য সহজে স্থানান্তরযোগ্য আবাসন, শিক্ষা এবং আয়বর্ধনমূলক প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দিতে হবে। ক্যাম্পগুলোতে মাদক ব্যবসা, মানব পাচার এবং নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে মানবিক এবং ত্রাণ কর্মীদেরকে রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনা করার অনুমোদন দিতে হবে।

সুপারিশে আরো বলা হয়েছে স্থানীয় এনজিও এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইএসসিজি এবং আরআরসিসি’র সভাগুলোতে এবং জাতীয় টাস্ক ফোর্সে (এনটিএফ) অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। অর্থ সহায়তার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশীদের ওপর নির্ভরতা কমাতে স্থানীয়দের কাছে প্রযুক্তি-দক্ষতা স্থানান্তরে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। স্থানীয় এনজিওদের জন্য একটি বিশেষ তহবিল (পুলড ফান্ড) গঠন করতে হবে। জাতিসংঘের সকল অঙ্গ সংস্থা এবং আইএনজিওগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য সামনে রেখে অংশীদারিত্ব নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। সর্বোপরি আইএনজিওদের কক্সবাজার ও বাংলাদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিবর্তে নিজ নিজ দেশ থেকে তহবিল সংগ্রহ করতে হবে।

এ বিষয়ে কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক এবং সিসিএএনএফ’র কো-চেয়ার রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, সিসিএনএফ কক্সবাজারে মানবাধিকার রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে, স্থানীয় এনজিও, স্থানীয় সংগঠন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যাবাসনের পূর্ব পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে স্থানীয় এনজিও এবং স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোকে রোহিঙ্গা সংকট ব্যবস্থাপনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All rights reserved © 2021 Banglarrobi.com
Theme Customization By NewsSun