1. admin@banglarrobi.com : admin :
  2. jahedulhaque24@gmail.com : Masud Rahman : Masud Rahman
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পাকুন্দিয়ায় আত্নকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সমবায়ী যুব মহিলাদের প্রশিক্ষণ পাকুন্দিয়া থানার (তদন্ত) নাহিদ হাসান সুমন ৬ষ্ঠ বারের মত কিশোরগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক তিস্তায় বাড়ছে পানি, ৬৩ চরে আতঙ্ক শেখ হাসিনার বহরে হামলা: সাত আসামির জামিন স্থগিতই থাকছে এ বছরই আসছে ৪৪তম বিসিএসের সার্কুলার বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবে ভারতীয় কংগ্রেস ভূমি সংস্কার বোর্ডে এসএসসি পাসেই চাকরি খালেদা জিয়ার চেয়ে পরীমণির গুরুত্ব বেশি বিএনপির কাছে, বললেন তথ্যমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পাচ্ছে ১৭ কোটি মানুষ: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী মঙ্গলবার থেকে সাত জেলায় লকডাউন, বন্ধ গণপরিবহন
নোটিশ:
সংবাদাতা নিয়োগ চলছে... যোগাযোগ : 01708515535

শকুন সংরক্ষণে কাজ করছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৭২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী শকুনের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু দিন দিন এই উপকারী পাখিটি প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। বিলুপ্তপ্রায় এ শকুন সংরক্ষণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সররকার। এটি সফল করতে নিজ নিজ স্থান থেকে সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
শনিবার আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস ২০২০ উপলক্ষে বন অধিদফতর আয়োজিত এক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন কারণে ৯৯ শতাংশ শকুন বিলুপ্ত হয়েছে। বর্তমানে দেশে ২৬০টি শকুন আছে। তাই সরকার শকুনের সংখ্যা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।

শকুন সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২০১০ সালে সারাদেশে শকুনের জন্য ক্ষতিকারক ওষুধ ডাইক্লোফেনাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দেশব্যাপী শকুনের খাদ্য প্রাণীর চিকিৎসায় কিটোটিফেনও নিষিদ্ধকরণ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা চলছে।

তিনি জানান, ২০১৩ সালে ‘বাংলাদেশ জাতীয় শকুন সংরক্ষণ কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। ২০১৪ সালে দেশের দু’টি অঞ্চলকে শকুনের জন্য নিরাপদ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৬ সালে দশ বছর মেয়াদি (২০১৬-২০২৫) বাংলাদেশ শকুন সংরক্ষণ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের শকুন রক্ষা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী কাঠামো হিসেবে কাজ করছে। এই কর্মপরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দিয়েই শকুন সংরক্ষণে বর্তমানে সব ধরণের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, ২০১৫ সালে শকুনের প্রজননের সময়ে বাড়তি খাবারের চাহিদা মেটানোর জন্য হবিগঞ্জের রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে ও সুন্দরবনে দু’টি ফিডিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। ২০১৬ সালে অসুস্থ ও আহত শকুনদের উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দিনাজপুরের সিংড়ায় একটি শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All rights reserved © 2021 Banglarrobi.com
Theme Customization By NewsSun