1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. printrajbd@gmail.com : admin1 :
  3. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  4. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

বিমানের ইঞ্জিনে বিমান নয়, চলছে গাড়ি

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৪ Time View

গাড়িটি ঠিক কতটা গতিসম্পন্ন, তা জানা নেই কারো। সর্বশেষ এক ব্যক্তি গাড়িটি ২০০ কিলোমিটার বেগে চালিয়েছিলেন। এরপর আর কেউ গাড়িটি চালাতে সাহস পাননি। এক কথায় এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক গাড়ি। বলছি ব্রুটাস গাড়ির কথা। বর্তমানে জার্মানির একটি প্রযুক্তিবিষয়ক মিউজিয়ামে রয়েছে গাড়িটি। যদিও গাড়ির ইঞ্জিন যাতে ঠিক থাকে তাই মাঝে মধ্যে রাস্তায় চালাতে বের করা হয়। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, বিমানের ইঞ্জিনে চলে এই গাড়ি।

জার্মানির ‘টেকনিক মিউজিয়াম’ জিনসহাইম স্পায়ারের প্রধান হেরমান লায়ার মাঝেমধ্যে ব্রুটাস চালান। তিনি বলছেন,’যখন ইঞ্জিন চলা শুরু করে তখন দারুণ লাগে। আর যখন গতি বাড়তে থাকে তখন ইঞ্জিনের প্রতি আপনার মুগ্ধতাও বাড়ে। তবে সেই সময় আপনাকে শক্ত হাতে স্টিয়ারিংটা ধরে রাখতে হবে। কারণ আপনি আবেগ ধরে রাখতে না পারলে ঘটনা ঘটতে শুরু করবে।’ ব্রুটাসকে সড়কে চলার উপযোগী করতে সময় লেগেছে আট বছর। ১৯৯৮ সালে মিউজিয়ামটির অন্যান্য সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে লায়ার গাড়ির কাজ শুরু করেন।

১৯০৭ সালের মার্কিন ভিন্টেজ কার লাফ্রসের চেসিসে একটি ৪৭-লিটার এয়ারক্রাফট ইঞ্জিন বসান তারা। লায়ার বলেন, ইঞ্জিনটি অলসভাবে পড়ে ছিল। একদিন মনে হলো, যদি এটাকে চালানোর চেষ্টা করি তাহলে কেমন হয়? এর আগে কয়েকবার গাড়ির সংস্কারের কাজ শুরু করেও পিছিয়ে এসেছিলাম আমরা। কারণ প্রকৃতপক্ষে ইঞ্জিনটি তৈরি হয়েছে বিমানের জন্য। সেই কারণে আমাদের ভয় হচ্ছিলো, না জানি ইঞ্জিনটি কেমন আচরণ করে।

গত ১৫ বছরে স্পায়ারের একটি এয়ারফিল্ড ও একটি টেস্ট ট্র্যাকে নতুন রেকর্ড গড়ার চেষ্টা চালালেও কেউ এখনো বলতে পারেন না, গাড়িটা ঠিক কত জোরে চলতে পারে। হেরমান লায়ার বলেন, আপনি যত জোরে চালানোর সাহস করবেন, তার চেয়েও বেশি গতিতে গাড়িটি চলতে পারে। তিনি আরো বলেন, একজন ইংরেজ ছিলেন, যার বয়স ৭০ এর বেশি। তিনি একবার ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার গতিতে গাড়িটি চালিয়েছিলেন। এখন আমরা অপেক্ষা করছি, আবার কবে কে এসে গাড়িটি চালানোর অনুমতি চাইবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: