1. kmohiuddin456@gmail.com : admin :
  2. printrajbd@gmail.com : admin1 :
  3. dailybanglarrobi@gmail.com : Arif Mahamud : Arif Mahamud
  4. jahedulhaque24@gmail.com : Jahidul Hoque Masud : Jahidul Hoque Masud
রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেপরোয়া গাড়ি চালানো বন্ধ করতে বললেন ওবায়দুল কাদের বেসরকারি হাসপাতালের সেবামূল্য সরকার নির্ধারণ করবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে হাইকোর্টের রুল নেশার টাকা না পেয়ে মাকে মেরেই ফেললেন পাপিয়া আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস ব্যবধানে হারালো বাংলাদেশ প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে তরুণদের দক্ষ-পারদর্শী করে তুলতে হবে: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী অধিকারের প্রশ্নে শামসুল হক ছিলেন আজীবন আপসহীন: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী ৪৮ হাজার শিক্ষককে যেতে হবে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মায়ের চিকিৎসার অর্থ যোগাতে ক্রিকেটে ফিরতে শাহাদাতের আকুতি বিমান বাহিনীর বার্ষিক শীতকালীন মহড়া শুরু
নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ : ০১৭০৮ ৫১৫৫৩৫, প্রচারেই প্রসার # সকল প্রকার বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - ০১৭১২ ৬১৮৭০০

বাংলাদেশে একদিন যুদ্ধবিমান তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার :
  • হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৯ Time View

বাংলাদেশে একদিন যুদ্ধবিমান তৈরি হবে। কাজেই এর উপর গবেষণা এবং আমাদের আকাশসীমা রক্ষা আমরা নিজেরাই যেন করতে পারি, সেইভাবে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) যশোরের বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানে অনুষ্ঠিত বিমানবাহিনীর ১১ এবং ২১ স্কোয়াড্রনকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান প্রান্তে এই সময় বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একটা আকাঙ্ক্ষা আছে যে, বাংলাদেশেই আমরা আমাদের যুদ্ধবিমান তৈরি করতে পারব। কাজেই এর উপর গবেষণা এবং আমাদের আকাশসীমা রক্ষা আমরা নিজেরাই যেন করতে পারি, সেইভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আরও কয়েকধাপ এগিয়ে যাওয়ার পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি।

বিমানবাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার দেওয়া প্রতিরক্ষা নীতিমালার ভিত্তিতে আমরা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে যুগোপযোগী করার জন্য, আধুনিক করার জন্য ফোর্সেস গোল-২০৩০ আমরা প্রণয়ন করেছি এবং তা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি।

ইতোমধ্যে বিমানবাহিনীতে মিগ-২৯সহ বিভিন্ন যুদ্ধবিমান, সর্বাধুনিক অ্যাভিওনিক্স সমৃদ্ধ পরিবহন বিমান, ইউটিলিটি হেলিকপ্টার, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ বিমান সংযোজন, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এয়ার ডিফেন্স র‌্যাডার, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং নতুন নতুন ঘাঁটি, ইউনিট ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কথাও জানান সরকার প্রধান।

বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে উৎকর্ষতা আনতে সরকারের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব কার্যক্রম বিমানবাহিনীর সক্ষমতাকে বহুলাংশে বৃদ্ধি করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত। এই পতাকা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক। তাই পতাকার মান রক্ষা করা সামরিক বাহিনীর সকল সদস্যের পবিত্র দায়িত্ব। জাতীয় পতাকা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করা যেকোনো ইউনিটের জন্য একটি বিরল সম্মান ও গৌরবের বিষয়।

১১ স্কোয়াড্রনের বৈমানিকদের মৌলিক উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ এবং ২১ স্কোয়াড্রনকে দেশের আকাশসীমা প্রতিরক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ আজ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক ‘জাতীয় পতাকা’ প্রদান করা হল। এই সম্মান ও গৌরব অর্জন করায় আমি ১১ স্কোয়াড্রন এবং ২১ স্কোয়াড্রনকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। কর্মদক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং দেশসেবার স্বীকৃতি হিসেবে যে পতাকা আজ আপনারা পেয়েছেন, তার মর্যাদা, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ও আন্তর্জাতিকভাবে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে যখন দায়িত্ব পালন করেন, আমি মনে করি আপনারা সব সময় যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকবেন। যেন বাংলাদেশের মানমর্যাদা সবসময় বৃদ্ধি পায়। সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি রেখে আপনারা আপনাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশে-বিদেশে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সম্মানজনক অবস্থান, জাতিগঠনমূলক কাজে নিয়োজিত রাখার পাশাপাশি করোনাভাইরাস মহামারীর প্রাদুর্ভাবে বাহিনীর ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন সরকার প্রধান। শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাস বিশ্বকে অর্থনৈতিকভাবে স্থবির করে দিয়েছে। আমরা আমাদের সীমিত শক্তি নিয়ে অর্থনীতির গতি সচল রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়েছি। চেষ্টা করছি দেশকে এগিয়ে নিতে। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করেছি। পাশাপাশি আমরা অবকাঠামো উন্নয়নের বড় বড় অনেকগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ একটি বদ্বীপ। এ দেশের মানুষের উপযুক্ত বসবাসের জন্য একটা ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য আমরা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি। তারই ভিত্তিতে বর্তমানে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি এবং পর্যায়ক্রমিকভাবে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা অবকাঠামোর মাধ্যমে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই শাখায় অন্যান্য খবর
%d bloggers like this: