1. admin@banglarrobi.com : admin :
  2. jahedulhaque24@gmail.com : Masud Rahman : Masud Rahman
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ১০:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশ:
সংবাদাতা নিয়োগ চলছে... যোগাযোগ : 01708515535

ভালুকায় ভাষা সৈনিক মোস্তফা এম এ মতিন বই মেলা-২১ এর পর্দা পড়লো

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১
  • ১২৩ Time View

শেষ হলো ভাষা সৈনিক মোস্তফা এম এ মতিন স্মৃতি পরিষদ, ভালুকা, ময়মনসিংহ কর্তৃক আয়োজিত আটদিন ব্যপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, অমর একুশে উদযাপন ও ভাষা সৈনিক মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সাবেক এম, পি মোস্তফা এম,এ মতিন এডভোকেট এর ১৭তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আটদিন ব্যপী ২১শে থেকে২৮ এর আটদিন ব্যপী বইমেলা ও আলোচনা, সাহিত্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর ঘটনাক্রমে এই মহান ফেব্রুয়ারীর ২৭তারিখ শুক্রবার ২০০৪খ্রীস্টাব্দে।তারপর থেকেই তাঁরই সুযোগ্যা পাঁচ কন্যার প্রত্যক্ষ ওপরোক্ষ সহ যোগীতায় ভাষা সৈনিক মোস্তফা এম এ মতিন স্হৃতি পরিষদ গঠন করা হয়।আর এই সংগঠনের সভাপতি হিসাবে তাঁর ই সুযোগ্যা চতুর্থ কন্যা বংগবন্ধু মহিলা পরিষদ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে ময়মনসিংহের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ সাহিত্য সংস্কৃতির প্রিয় ব্যাক্তিত্ব মনিরা সুলতানা মনি যিনি সরকারি মোমেনুন্নেছা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের তিনবারের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।তাঁর প্রচেষ্টায়ই এমএ মতিন প্রেমীদের সহযোগীতায় প্রতিবছরই নিয়মিত ভাষা শহীদ দিবসে এই মেলা হয়ে আসছে। মোস্তফা এম এ মতিন ছিলেন ১৯৫১ সালে ভালুকা পাইলট স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন, জগন্নাথ কলেজ থেকে আই এ,বিএ পাস করেন।তারপর ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাশ করে ১৯৬৩ সালে ঢাকা বারে এবং মুক্তিযুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হলে তিনি ময়মনসিংহ জেলা বারে যোগদান করে আমৃত্যু তিনি আইনজীবী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ষষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়ন করা থেকেই তিনি রাজনীতির খাতায় নাম লেখান এবং পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলনের প্রত্যক্ষ কর্মী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন।জগন্নাথ কলেজেপড়া কালে বংগবন্ধুর ডাকে ভাষা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন।১৯৫২ সালের ২১ শে ফ্রেব্রয়ারীতে তিনি বিশাল ছাত্র মিছিল সহকারে পাকীদের দেওয়া ১৪৪ ধারা ভংগ করেন এবং মাত্র সতর বয়সেই আন্দোলনের জন্যে দুইমাসের কারা নির্যাতন ভোগ করেন। তারপর তিনি ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন,১৯৬৬ সালের বংগবন্ধুর সায়ত্তশাসনের ছয়দফা দাবী র আন্দোলনে,আয়ুব পতনের গন অভ্বু্স্হানে আংশগ্রহন করে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহন করে প্রথম বারের মত এম এন এ নির্বাচিত হন।

স্বাধীনতা যুদ্ধ কালে তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংগঠকএবং স্বাধীনতা ফুটবল দলের পরিচালনার দায়িত্বে থেকে খেলার মাধ্যমে টাকা উপার্জন করে মুক্তি যুদ্ধের কল্যাণের জন্য কাজ করেন। মুক্তি যুদ্ধ উত্তর ১৯৭৩ সালে এমপি নির্বাচিত হন। তিনি ভালুকায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, সোনালী ব্যাংক, মসজিদ , মাদ্রাসা সহ নানা মুখী সরকারী স্হাপনা স্হাপন করেন।প্রতিবছর এই মেলায় অনেক বইয়ের স্টল বসে নানা মুখী লেখক কবিদের লেখা বিখ্যাত বইয়ের বইয়ের সংগ্রহ নিয়ে।স্টলে স্টলে বই কিনতে অসংখ্য গুনগ্রাহী বই প্রেমীদের মিলন মেলা বসে। মেলা য় নারী পুরুষের বীরবাট্টা থাকে উপছে পড়ার মত।এবারের ২১এর মহান ২১ সালের মেলায়ও তার কমতি ছিলো না। বই মেলায় বইয়ের পাশাপাশি ভাষার মাসের ভাষা দিবসের তাৎপর্য উল্লেখ করে চলে আলোচনা সভা, কবি সাহিত্যিকদের কবিতা আবৃত্তি, গল্পের আসরেরও কমতি থাকেনা। অপরদিকে ভাষার উপর ভিত্তি করে রচিত গান, দেশের গানের সূর লহরী ও থাকে জমজমাট আয়োজনে। হাজির নানা মুখী গুনীজনরা সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অথবা ভাষাপ্রেমী রাজনৈতিক বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ধারার লোকেরা।

যেমনটি এখানে এসেছিলেন সাংসদ জ্বনাব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ (ময়মনসিংহ–১১,ভালুকা),জ্বনাব ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল এমপি(ময়মনসিংহ –১০,গফরগাঁও), ময়মনসিংহ সিটিকরপোরেশন মেয়র -জ্বনাব মোঃ ইকরামুল হক টিটু, স্হানীয় ভালুকা পৌরসভার মেয়র জ্বনাব একে এম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম, ভালুকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জ্বনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট দ্বয়, জ্বনাব রফিকুল ইসলাম পিন্টু, ডঃসেলিনা রশিদ , মাননীয় প্রতি মন্রী,গৃহায়ণ ও পুর্তমন্ত্রনালয়, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জ্বনাব কে এম খালিদ এমপি,স্হানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুন, ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জ্বনাব মাইন উদ্দিন।এছাড়া উপস্হিত জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জ্বনাব এডভোকেট মোঃ জহিরুল হক খোকা,সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, উপজে লা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জ্বনাব গোলাম মোস্তফা সহ আওয়ামীলীগের উপজেলা ইউনিয়ন জেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যাায়ের নেত্ববৃন্ধ সহ উপজেলার মুক্তি যুদ্ধাকমান্ডের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এই মেলার আয়োজক ভাষা সৈনিক মোস্তফা এমএ মতিন স্হৃতি পরিষদ ভালুকার উদ্যোগে প্রতি বৎসর সাহিত্যের নানা শাখার সাহিত্য সেবী কবি সাহিত্যিক দের ভাষা সৈনিক মোস্তফা এমএ মতিন সাহিত্য পুরুস্কার দিয়ে থাকেন।এবারও তারই ধারাবাহিকতায় ২০২১এর একুশের সাহিত্য পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয় ২৭ ফেব্রুয়ারীর সান্ধ্য কালীন কবিদের মিলন মেলায় আবৃত্তির মাধ্যমে। পুরুস্কার হিসাবে ছিলো উত্তরীয় ও স্বস্ব নামাংকিত ক্রেষ্ট। পুরুস্কার প্রাপ্ত দের অন্যতম কয়েকজনের মধ্যে ছিলেন ১) কবি ও কথা সাহিত্যিক জ্বনাব লুৎফর চৌধুরী ২)কবিও সাহিত্যিক জ্বনাব আব্দুল কুদ্দুছ ৩) কবি ও সাহিত্যিক শেখ সফিক ৪) কবিও সাহিত্যিক জ্বনাব আ ফ ম আফজাল,৫) আবৃত্তিকার জ্বনাব আফতাব মাহবুব ৬) কবি ও বিজ্ঞানী মোঃ জহির চাষী) ৭) কবি ও সাহিত্যিক জ্বনাব সোহেল রানা ৮) কবি ওগল্পকার মোছাঃ তাছলিমা আক্তার (মুক্তা) ৯) কবি ও সাহিত্যিক জ্বনাব ছাইদুর রহমান ১০)কবি ও আবৃত্তিকার রুমা আক্তার উত্তরীয় ও ক্রেষ্ট প্রদান করেন মেলার সভাপতি তথা মোস্তফা এমএ মতিন স্হৃতি পরিষদ ভালুকার সভাপতি ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ (ময়মনসিংহ) জ্বনাব মনিরা সুলতানা মনি যিনি প্রতিটি অনুষ্ঠানেরই সভাপতিত্ব করেন।

কভিড ১৯ এর এই দুর্যোগ ঘন মূহুর্তের এই বই মেলাটি ছিলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন কারী একটা মনোসংযোগ কারী বিনোদনকারী প্রাণের স্পন্দন জোয়ার হাসির ফোয়ারায় জীবনে কিছুটা আলোদানকারী মহোৎসব সৌর সৌরভের বসন্ত বরণে সংবর্ধনা ও ভালোবাসা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
All rights reserved © 2021 Banglarrobi.com
Theme Customization By NewsSun